বুলেটিন নিউজ ২৪.কম

হোম

সম্পাদকীয়

স্থানীয়

আন্তর্জাতিক

জাতীয়

অর্থ বাণিজ্য

ক্রীড়া

মফস্বল

বিনোদন

সাহিত্য

অফিস

হস্তশিল্প

by বুলেটিননিউজ২৪
০ comments 32 views

হাতের তৈরি শিল্পকেই সাধারণত হস্তশিল্প বলে। নিজে এবং পরিবারের সদস্যদের সাহায্য নিয়ে সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে অনায়াসে বানিয়ে ফেলা যায় এসব পণ্য । কতিপয় হস্তশিল্প পণ্য রয়েছে যেগুলির কিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এসব বৈশিষ্ট্যের উৎস হচ্ছে একটি অঞ্চল বা দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বা কারুশিল্পীদের বিশেষ উৎপাদন কৌশল।

ইতিহাস : আদি ও মধ্যযুগীয় বাংলার গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ছিল হস্তশিল্প ও কুটির শিল্প। বয়ন, ধাতব পদার্থের কাজ, জুয়েলারি, বিশেষ করে রুপার তৈরি অলঙ্কার, কাঠের কাজ, বেত এবং বাঁশের কাজ, মাটি ও মৃৎপাত্র হস্তশিল্প হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল।

ইতিহাস থেকে জানা যায় যে, গাঙ্গেয় অববাহিকার মসলিন বস্ত্র রোমান এবং গ্রিক সাম্রাজ্য পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। চীনা এবং আরব পর্যটকগণও বঙ্গদেশে উৎপাদিত উচ্চমানের সুতি এবং রেশমি বস্ত্রের কথা জানতেন। ষোড়শ শতাব্দী থেকে বঙ্গদেশের উচ্চমানের হাতেবোনা বস্ত্র, উন্নতমানের গজদন্ত, রুপা এবং অন্যান্য ধাতুর তৈরি কারুপণ্য মুগল দরবারেও সমাদৃত হয়েছিল। মুগল সম্রাটগণ শিল্পকারুপণ্যের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। তারা কারিগর সম্প্রদায়কে সাজসজ্জা এবং উপঢৌকনের দ্রব্যাদি তৈরির কাজে নিয়োগ করেছিলেন। মুগল শাসনের প্রথমদিকে নিপুণ কারিগরদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার উৎসাহ দিয়ে তাদের বাড়তি পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা হতো। এরা দিল্লীর সম্রাটের দরবারের জন্য দুর্লভ এবং উচ্চমানের উপহার দ্রব্য তৈরি করত। শাসকশ্রেণি এবং অভিজাতশ্রেণি এ সমস্ত দ্রব্য ব্যবহার করত বলে হস্তশিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটে। হস্তশিল্প তৈরিতে কারিগরগণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তারা মূলত তাদের পরিচিত লোকদের জন্য কাজ করত এবং এই কারণেই তাদের উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে লক্ষণীয়ভাবে ব্যক্তিগত রুচি এবং আন্তরিকতার ছাপ থাকত।

রকমারি হস্তশিল্প : নকশি কাঁথা হলো সাধারণ কাঁথার উপর নানা ধরণের নকশা করে বানানো বিশেষ প্রকারের কাঁথা। নকশি কাঁথা শত শত বছরের পুরনো বাংলাদেশের সংস্কৃতির একটা অংশ। নকশি কাঁথা বাংলাদেশের লোকশিল্পের একটা অংশ। সাধারণত পুরাতন কাপড়ের পাড় থেকে সুতা তুলে অথবা তাঁতীদের থেকে নীল, লাল, হলুদ প্রভৃতি সুতা কিনে এনে কাপড় সেলাই করা হয়। ঘরের মেঝেতে পা ফেলে পায়ের আঙ্গুলের সঙ্গে কাপড়ের পাড় আটকিয়ে সূতা খোলা হয়। এই সূতা পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য রেখে দেয়া হয়। সাধারণ কাঁথা সেলাইয়ের পর এর উপর মনের মাধুরী মিশিয়ে ফুঁটিয়ে তোলা হয় বিভিন্ন নঁকশা যার মধ্যে থাকে ফুল, লতা, পাতা ইত্যাদি। পুরো বাংলাদেশেই নকশি কাঁথা তৈরি হয়, তবে ময়মনসিংহ, রাজশাহী, ফরিদপুর ও যশোর নকশি কাঁথার জন্য বিখ্যাত।

শীতল পাটি এক ধরনের পাটি (মাদুর), বাংলাদেশের একপ্রকার হস্তশিল্প। মুর্তা বা বেত বা মোস্তাক নামক গাছের ছাল থেকে এগুলো তৈরি হয়ে থাকে। হস্তশিল্প হিসাবে এগুলোর যথেষ্ট কদর রয়েছে। শহরে শো-পিস এবং গ্রামে এটি চাদরের পরিবর্তে ব্যাপক ব্যবহৃত হয়। সাজসজ্জা দ্বারা সজ্জিত মাদুরকে নকশি পাটিও বলা হয়। তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া

Spread the love

You may also like

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মনজুরুল ইসলাম (মনজু)

তথ্য অধিদপ্তর, তথ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকা কর্তৃক bulletinnews24.com অনলাইন নিউজ পোর্টাল যাহার নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) নম্বর…।

সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মনজুরুল ইসলাম (মনজু)

তথ্য অধিদপ্তর, তথ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকা কর্তৃক bulletinnews24.com অনলাইন নিউজ পোর্টাল যাহার নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) নম্বর…।

@2021 – 2025 All Right Reserved. Designed and Developed by  বুলেটিন নিউজ ২৪.কম.

Adblock Detected

Please support us by disabling your AdBlocker extension from your browsers for our website.