চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং শাংহাইয়ে, ১৭ই জুলাই, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন।গুতেরেস ‘বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন, ২০২৬’ তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশ্বিক শাসনবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে উপস্থিত থাকতে চীন এসেছেন।
বৈঠকে সিন চিন পিং বলেন, জনাব আন্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণের পর বিগত ১০ বছরে তাঁর নেতৃত্বে, জাতিসংঘ দৃঢ়ভাবে বহুপাক্ষিকতা রক্ষা করেছে, ইতিবাচকভাবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করার চেষ্টা করেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমতাসহ নতুন উদীয়মান খাতের বৈশ্বিক প্রসাশনকে উন্নত করেছে, এবং জাতিসংঘের সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। চীন তাঁর কাজের প্রশংসা করে। চলতি বছর হচ্ছে, নয়া চীনের জাতিসংঘের বৈধ আসন পুনরুদ্ধারের ৫৫তম বার্ষিকী। ৫৫ বছরে চীন দৃঢ়ভাবে, বিশ্ব শান্তি, উন্নয়ন, এবং আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করে আসছে। চীন সবসময় দৃঢ়ভাবে জাতিসংঘকে সমর্থন করে।
তিনি বলেন, আমি মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ে তোলার ধরণা ও চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ উত্থাপন করেছি, যার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে, জাতিসংঘের অবস্থান ও কর্তৃত্ব রক্ষা করা। চীন আগের মতো ভবিষ্যতেও জাতিসংঘের সাথে সহযোগিতা জোরদার করবে, বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়ন এগিয়ে নেবে, এবং মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ে তোলার কাজে গতি সঞ্চার করবে।
সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, বতর্মানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অস্থির ও দ্রুত পরিবর্তনশীল। আমাদের উচিত, প্রকৃত বহুপাক্ষিকতা বাস্তবায়ন করা এবং জাতিসংঘের অবস্থান ও ভূমিকা পূনরুদ্ধার করা।
তিনি বলেন, প্রথমত, সততা ও ন্যায্যতায় অবিচল থাকতে হবে। এ ছাড়া জাতিসংঘ সনদের চেতনা মেনে নিতে হবে এবং জাতিসংঘের সংস্কারকাজ উন্নত করতে হবে; তৃতীয়ত, দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। সকল দেশ একটি অভিন্ন ভাগ্যের জাহাজে বসে আছে। এজন্য একযোগে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, চীন সবসময় বাস্তব কার্যকলাপের মাধ্যমে, নতুন যুগে বড় দেশগুলোর মধ্যে সুষ্ঠু সহাবস্থান বজায় রাখার পদ্ধতি অনুসন্ধান করছে, যা বিশ্বে আরও বেশি স্থিতিশীলতার যোগান দিয়েছে।
সূত্র:আকাশ-আলিম-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।