হারবিন শীতকালীন গেমস চীনের দেওয়া আরেকটি বসন্ত উৎসবের উপহার

বুলেটিননিউজ২৪
2 Min Read

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত শুক্রবার সন্ধ্যায়, নবম এশিয়ান শীতকালীন গেমস চীনের হেইলুংচিয়াং প্রদেশের হারবিন শহরে উদ্বোধন হয়েছে। অনেক বিদেশী গণমাধ্যম অবাক হয়েছে এটা দেখে যে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এতো বেশি সাংস্কৃতিক ও বৈজ্ঞানিক উপাদান থাকতে পারে! এ থেকে চীনা সভ্যতার সৌন্দর্য ও এশিয়ার যৌথভাবে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি অনুভব করা যায়।

বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিক গেমসের পর চীন আবারও গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বহুমুখী বরফ ও তুষার ইভেন্ট আয়োজন করেছে। এই গেমসে এশিয়ার ৩৪টি দেশ ও অঞ্চলের ১২৭০ জন খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন। অংশগ্রহণকারী দেশ ও অঞ্চলের সংখ্যা, খেলোয়াড়ের সংখ্যা, সবই ইতিহাসের সর্বোচ্চ। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে তুষার না-থাকলেও, এসব দেশের ক্রীড়াবিদরাও অংশগ্রহণ করছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন: বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিক গেমস থেকে হারবিন এশিয়ান শীতকালীন গেমস পর্যন্ত, চীনে তুষার ও বরফ খেলা অনেক জনপ্রিয় হচ্ছে, যা বৈশ্বিক শীতকালীন ক্রীড়ায় প্রাণশক্তি যুগিয়েছে।

বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চল হিসেবে, গেল ৫০ বছরে, এশিয়ার অর্থনীতি দ্রুত উন্নত হয়েছে। বিশ্বের অর্থনীতিতে বৃহত্তম অবদানকারী অঞ্চল হিসেবে আছে এশিয়া। বর্তমানে, বিশ্ব পরিস্থিতির বিরাট পরিবর্তন ঘটছে। ভৌগোলিক রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুমুল। এতরফাবাদ ও সংরক্ষবাদ পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। এশিয়ার ভবিষ্যত উন্নয়নের প্রাণশক্তি যেমন আছে, তেমনি চ্যালেঞ্জও আছে। এমন প্রেক্ষাপটে, হারবিন এশিয়ান শীতকালীন গেমস শান্তি, উন্নয়ন, ও ঐক্যের প্রশ্নে এশিয়ান জনগণের অভিন্ন আকাঙ্খা বহন করে।

চীন সবসময় এশিয়ার অর্থনীতিতে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করে। বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিক গেমস থেকে হারবিন এশিয়ান শীতকালীন গেমস পর্যন্ত, চীন সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতি ও স্থানীয় সম্পদের সুবিধায়, চীনে বরফ ও তুষার শিল্প ‘ঠান্ডা’ সম্পদ থেকে ‘গরম’ শিল্পে পরিণত হচ্ছে। তুষার ও বরফ খেলা, তুষার ও বরফ সংস্কৃতি, তুষার ও বরফ সরঞ্জাম হচ্ছে ‘বরফ ও তুষার সোনার পাহাড় ও রূপার পাহাড়ের’ চেতনার প্রমাণ।

হারবিন এশিয়ান শীতকালীন গেমসের মাধ্যমে, এশিয়া ও বিশ্ব একটি উন্মুক্ত, প্রাণবন্ত, আধুনিক চীন দেখছে। হারবিন এশিয়ান শীতকালীন গেমসের আয়োজন, শীতকালীন খেলার উন্নয়নে নতুন প্রাণশক্তি যুগিয়েছে, যা ৪.৭ বিলিয়ন এশিয়ান জনগণের ঐক্যকে ত্বরান্বিত করেছে, বিশ্ব অর্থনীতিকে উষ্ণ করেছে। এটি যেন অলিম্পিক গেমস ও বিশ্বকে চীনের দেওয়া আরেকটি বসন্ত উৎসবের উপহার।

সূত্র: শুয়েই-আলিম-জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

Share This Article
Leave a Comment