চীনা সিনেমার বৈশ্বিক যাত্রা: উৎসবের মঞ্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে

১২ মে সন্ধ্যায় দক্ষিণ ফ্রান্সের শহর কান-এর প্যালেইস দে ফেস্টিভাল (Palais des Festivals)-এ চীনা অভিনেত্রী কোং লি চীনা ভাষায় ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরের দিন, পরিচালক ছেন খাই ক্য-এর ‘ফেয়ারওয়েল মাই কনকিউবাইন’ চলচ্চিত্রটির ৪কে রিস্টোরড সংস্করণ ‘কান ক্লাসিকস’ বিভাগে প্রিমিয়ার হয়, যেখানে প্রেক্ষাগৃহ কানায় কানায় পূর্ণ ছিল। এতে চলচ্চিত্রটির দীর্ঘস্থায়ী আন্তর্জাতিক প্রভাবের সাক্ষ্য মেলে।

এ বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে চীনা ভাষার চলচ্চিত্রগুলো মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে অনুপস্থিত ছিল এবং পাম দ’অর পুরস্কারের দৌড় থেকে সাময়িকভাবে সরে দাঁড়িয়েছিল। তবে চীনা সিনেমা আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু থেকে ম্লান হয়ে যায়নি; বরং আরও বৈচিত্র্যময় রূপে বিশ্ব চলচ্চিত্র ব্যবস্থায় সক্রিয় রয়েছে।

ফরাসি সিনোলজিস্ট ও চীনা সিনেমার বিশেষজ্ঞ লুইসা প্রুদান্তিনোর মতে, ‘ফেয়ারওয়েল মাই কনকিউবাইন’ এবং এর প্রধান অভিনেত্রী কোং লি-র কান মঞ্চে প্রত্যাবর্তন চীনা সিনেমার আন্তর্জাতিক মর্যাদার বিবর্তনের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফেয়ারওয়েল মাই কনকিউবাইন’ এখন পর্যন্ত মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে পাম দ’অর জেতা একমাত্র চীনা ভাষার চলচ্চিত্র। এটি শুধু চীন ও চীনা চলচ্চিত্রকে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিতই করেনি, বরং ফরাসি ও চীনা চলচ্চিত্র শিল্প এবং উভয় দেশের সংস্কৃতির মধ্যে একটি ‘সেতু’ হিসেবেও কাজ করেছে।

আজ চীন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র বাজারে পরিণত হয়েছে এবং একটি অনন্য, এমনকি অনুকরণীয় চলচ্চিত্রশিল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

চাং ইমৌ, ছেন খাই ক্য এবং চিয়া চা খ্যর মতো পরিচালকদের শিল্পকর্ম বহু বছর ধরে কান চলচ্চিত্র উৎসবের আনুষ্ঠানিক বিভাগে ধারাবাহিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে, ‘ওয়াইল্ড এজ’-এর মতো বিজ্ঞানকল্পভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের সাম্প্রতিক পুরস্কার অর্জনও প্রমাণ করে যে, আর্ট ফিল্ম ব্যবস্থায় স্বীকৃতি ও পরিচিতি লাভ চীনা চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। এখন চীনা চলচ্চিত্রগুলো শুধু চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কারের জন্য প্রতিযোগিতা করছে না; বরং ক্রমবর্ধমান হারে জঁরাভিত্তিক চলচ্চিত্র বাজার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাতেও অংশ নিচ্ছে।

চলতি বছরের কান চলচ্চিত্র উৎসব চলাকালে চায়না ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তত্ত্বাবধানে চায়না ফিল্ম কো-প্রোডাকশন করপোরেশন একটি ‘চায়না ফিল্ম জয়েন্ট এক্সিবিশন বুথ’-এর আয়োজন করে। সেখানে ৭০টি দেশীয় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রতিষ্ঠান এবং ১৮৫টি উল্লেখযোগ্য চীনা চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। ‘ব্লেডস অব দ্য গার্ডিয়ানস’ ও ‘পার অ্যাসপেরা অ্যাড অ্যাস্ট্রা’-র মতো মার্শাল আর্টের চেতনা ও স্বপ্নময় কল্পনার চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে ‘ইটস ওকে’ এবং ‘ডিয়ার ইউ’-এর মতো বাস্তবধর্মী চলচ্চিত্র পর্যন্ত—চীনা সিনেমা কান-এ একটি সমৃদ্ধ সৃজনশীল ইকোসিস্টেম তুলে ধরে, যা অসংখ্য আন্তর্জাতিক ক্রেতা, প্রযোজক ও পরিবেশককে আকৃষ্ট করেছে।

এর মধ্যে ‘ডিয়ার ইউ’ চলচ্চিত্রটি ১৫ মে কান ফিল্ম মার্কেটে প্রদর্শিত হয়। ছিয়াওপি বা ‘ওভারসিজ চাইনিজ রেমিট্যান্স অ্যান্ড ফ্যামিলি লেটার’-সংক্রান্ত গল্পকে ভিত্তি করে ছাওশান জনগোষ্ঠীর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অভিবাসনের ইতিহাস তুলে ধরা এই চলচ্চিত্রটি শুধু বিভিন্ন দেশের দর্শকদের আবেগাপ্লুতই করেনি, বরং বিদেশি ক্রেতাদেরও আকৃষ্ট করেছে। চলচ্চিত্রটি দেখার পর ফরাসি চলচ্চিত্র পরিবেশক বরিস পিনে বলেন, ইউরোপীয় দর্শকদের কাছে এর আবেদন সৃষ্টি হয়েছে আন্তঃসাংস্কৃতিক আবেগঘন অনুরণনের কারণে। তিনি বলেন, “আমরা সবাই আমাদের পারিবারিক ইতিহাস বুঝতে চাই, কিন্তু প্রায়ই সেই সময়ের দৃশ্যমান উপকরণের অভাব থাকে। এই চলচ্চিত্রটি আমাদের দাদা-দাদী ও নানা-নানীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে এবং তাঁরা যে সময়ে বাস করতেন, তা কল্পনা করতে সাহায্য করে।”

পিনের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পশ্চিমে প্রদর্শিত চীনা চলচ্চিত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির দুটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমত, চীনা বাজার বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্রের জন্য জায়গা তৈরি করে দেয়, যা বৃহৎ ঐতিহাসিক আখ্যান ও সাধারণ মানুষের গল্প—উভয়কেই আন্তর্জাতিক আলোচনায় প্রবেশ করতে সাহায্য করে। দ্বিতীয়ত, এটি বিদেশে চীনের পরিবর্তিত ভাবমূর্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি বলেন, “আজ চীন প্রযুক্তিসহ নানা ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের প্রতিনিধিত্ব করে, যা চীনা চলচ্চিত্র সম্পর্কে পশ্চিমাদের ধারণাকে প্রভাবিত করে।”

যদি ‘ডিয়ার ইউ’ চীনা গল্পের আন্তঃসাংস্কৃতিক সম্ভাবনা প্রদর্শন করে, তবে শিল্প-সহযোগিতার স্তরে আরও একটি গভীর পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। চীনা চলচ্চিত্র এখন ‘বিষয়বস্তু রপ্তানি’ থেকে ‘মেধাস্বত্ব ও আখ্যানক্ষমতা রপ্তানি’র দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ বছর চীনা প্যাভিলিয়ন কান চলচ্চিত্র বাজারের ‘ইন্টারন্যাশনাল ভিলেজ’-এ অবস্থিত ছিল। ১৩ মে এই প্যাভিলিয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকের সাক্ষী হয়। ফরাসি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মাস্টার মুভিজ আনুষ্ঠানিকভাবে চিয়াংসু থাইক্য ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন কোং লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে চীনা চলচ্চিত্র ‘জনি কিপ ওয়াকিং’-এর ফরাসি রূপান্তর-স্বত্ব অর্জন করে।

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বাজারে বিদেশে পরিবেশনা এবং রূপান্তর-স্বত্ব সংক্রান্ত লেনদেন দুটি ভিন্ন স্তরের বিষয়। পরিবেশনার অর্থ হলো চীনা চলচ্চিত্র বিদেশে প্রদর্শিত হওয়া; আর রূপান্তর-স্বত্বের অর্থ হলো চীনা চলচ্চিত্রের আখ্যান, চরিত্র-সম্পর্ক এবং সামাজিক বিষয়বস্তু বিদেশি চলচ্চিত্র শিল্পব্যবস্থা দ্বারা স্বীকৃত হওয়া এবং সেগুলোর স্থানীয়করণমূলক প্রযোজনা-সম্ভাবনা থাকা।

মাস্টার মুভিজের জেনারেল ম্যানেজার লোলা পাচিওনি সাংবাদিকদের বলেন, “চীনের চলচ্চিত্র বাজার এবং অডিওভিজ্যুয়াল বিনোদন শিল্পে বিপুল সম্ভাবনা ও সুযোগ রয়েছে, আর এর সৃষ্টিকর্ম জাতীয় সীমানা অতিক্রম করতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের এশিয়ায় সম্প্রসারণ অব্যাহত রাখতে হবে এবং নতুন নতুন প্রকল্প খুঁজে বের করতে হবে।”

চিয়াংসু থাইক্য ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন কোং লিমিটেডের প্রধান ইয়াং গ্যাং, যার প্রতিষ্ঠান দেশীয় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন কনটেন্টের বৈদেশিক পরিবেশনায় গুরুত্ব দেয়, মনে করেন যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনা চলচ্চিত্র বৈশ্বিক রিমেক ও আইপি ট্রেডিং বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে পৌঁছেছে। তাঁর মতে, একটি ফরাসি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ‘জনি কিপ ওয়াকিং’-এর অভিযোজন-স্বত্ব অধিগ্রহণ প্রমাণ করে যে চীনা চিত্রনাট্যকারদের প্রতিভা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পে স্বীকৃতি পাচ্ছে এবং চীনা আখ্যানগুলো ক্রমাগত তাদের আন্তর্জাতিক প্রভাব বিস্তার করছে।

৭৯তম কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ১২ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। উৎসব চলাকালে বিভিন্ন বিভাগ ও প্ল্যাটফর্মে চীনা চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয় এবং চীন ও বিদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের পেশাজীবীরা চলচ্চিত্র নির্মাণ, শিল্প ও প্রযুক্তি নিয়ে মতবিনিময় করেন। কান চলচ্চিত্র উৎসব শুরুর আগেই প্যারিসসহ কয়েকটি শহরে ১১তম চীনা চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছিল এবং ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরের প্রেক্ষাগৃহে একাধিক চীনা চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছিল।

দীর্ঘদিন ধরে চীনা চলচ্চিত্র মূলত কান-এর মতো আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র উৎসবের মাধ্যমেই ফরাসি দর্শকদের নজরে এসেছে। তবে ফ্রান্সের চীনা চলচ্চিত্র উৎসব আরও বিস্তৃত একটি জানালা উন্মোচন করেছে, যা ফরাসি দর্শকদের চীনা চলচ্চিত্রের সর্বশেষ ধারা উপভোগের সুযোগ করে দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে শৈল্পিক প্রকাশ এবং সাধারণ মানুষের জন্য ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনীর প্রচার—এই দুইয়ের সমন্বয়ে চীনা চলচ্চিত্রের বৈচিত্র্য ও বিকাশের সম্ভাবনা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

২০১১ সালে শুরু হওয়ার পর থেকে ফ্রান্সের চীনা চলচ্চিত্র উৎসবে ১০০টিরও বেশি চীনা চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে। আড়াই লক্ষাধিক দর্শক এসব চলচ্চিত্র উপভোগ করেছেন। এ বছরের উৎসবে ‘নতুন চলচ্চিত্র’, ‘ক্লাসিক চলচ্চিত্র’ এবং ‘তথ্যচিত্র’—এই তিন বিভাগে মোট ১৭টি চলচ্চিত্র স্থান পেয়েছে, যা চীনা চলচ্চিত্র শিল্পের বৈচিত্র্যময় প্রাণশক্তিকে তুলে ধরে। ফ্রান্সের প্রধান শহরগুলোতে প্রদর্শনীর পাশাপাশি উৎসবটি দক্ষিণ গোলার্ধের অঞ্চল রিইউনিয়ন ও নিউ ক্যালেডোনিয়াতেও অনুষ্ঠিত হয়।

গত ডিসেম্বরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর চীন সফরকালে ফরাসি জাতীয় চলচ্চিত্র ও অ্যানিমেশন কেন্দ্র এবং চীন জাতীয় চলচ্চিত্র প্রশাসন একটি সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষর করে, যা চলচ্চিত্র ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

এ বছরের কান চলচ্চিত্র উৎসবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির প্রয়োগও একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল। উৎসবে ‘এআই অ্যান্ড ট্যালেন্ট সামিট’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে চলচ্চিত্র ও প্রযুক্তি খাতের বিনিয়োগকারী, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এবং উদ্ভাবনী সংস্থার প্রতিনিধিরা এআই কীভাবে সৃজনশীল প্রক্রিয়া, প্রযোজনা মডেল এবং কনটেন্ট শিল্পের ব্যবসায়িক কাঠামোকে নতুন রূপ দিচ্ছে, তা নিয়ে গভীর আলোচনা করেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন আর চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পের জন্য শুধু একটি ভবিষ্যৎ ধারণা নয়; বরং এটি চলচ্চিত্র ও অডিওভিজ্যুয়াল কনটেন্টের উন্নয়ন, নির্মাণ, বিপণন ও বিতরণের পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হয়ে শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফিল্ম প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশনসের প্রধান প্রতিনিধি বেনোয়া গিনেস মনে করেন, এই প্রবণতা একদিকে যেমন দক্ষতা ও উদ্ভাবনের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে শিল্পের নিয়মকানুন, সৃজনশীল নৈতিকতা এবং প্রতিভা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আরও উচ্চতর মানদণ্ডের প্রয়োজন তৈরি করছে।

চায়না ফিল্ম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের উপপরিচালক ছিন চেনকুই বলেন, “চীনা চলচ্চিত্র শিল্প গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে এটি সব সময় একটি উন্মুক্ত, বিচক্ষণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মনোভাব বজায় রাখে।” তিনি বলেন, একদিকে শিল্পটি খরচ কমানো, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্মাণচক্র সংক্ষিপ্ত করার জন্য এআইয়ের ব্যবহার সক্রিয়ভাবে অনুসন্ধান করছে; অন্যদিকে ‘জনকেন্দ্রিক ও প্রযুক্তির কল্যাণে’ নীতির প্রতিও গুরুত্ব দিচ্ছে। এর ফলে নির্মাতারা জটিল প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়ার চাপ থেকে মুক্ত হয়ে আখ্যান ও বিষয়বস্তুর ওপর আরও বেশি মনোযোগ দিতে পারেন এবং অধিক দক্ষতার সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক গভীরতা ও আবেগঘন শক্তিসম্পন্ন শিল্পকর্ম সৃষ্টি করতে সক্ষম হন।

সূত্র: লিলি, আলিম; চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

Spread the love

Related posts

চিপ উন্নয়নের নতুন দর্শন: সময়ভিত্তিক দক্ষতায় জোর দিচ্ছে ‘থাও সূত্র’

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের ভূমিকাকে স্বাগত চীনের

গ্লোবাল সাউথের উন্নয়নে চীনকে শক্তিশালী কণ্ঠস্বর বললেন ইউনেস্কো প্রধান

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments